Ctn Tv
সর্বশেষ
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুতে গতি, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুতে গতি, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ

সরকারি মালিকানাধীন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন পুনরায় শুরু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এ ছাড়া শিল্প খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, ১৪৪ ধারা ও পুলিশি বাধার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান / হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলা, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি এবং পুলিশি বাধার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। বুধবার রাত ৯টার দিকে রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী অভিযোগ করেন, সরকার ভিন্নমত দমনে পূর্ববর্তী সরকারের কৌশল অনুসরণ করছে। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানেরও সমালোচনা করেন।কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার অভিযোগ করেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করেন। সমাবেশ থেকে বক্তারা হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা বন্ধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, ১৪৪ ধারা ও পুলিশি বাধার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান / হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

এনসিপির দাবি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন, অন্তত ১০ জন আহত / হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, হাসপাতালের গেটেও বাধা দেওয়া হয়: সারজিস আলম

জুলাই বিপ্লবের সময় গণহত্যা ও দমন-পীড়নে ‘নীরব ভূমিকার’ অভিযোগ / সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিএপির অভিযোগ

এখন থেকে এককভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করবে দলটি / ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াল খেলাফত মজলিস

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দায়িত্ব নিয়েছেন / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল শিগগির, ৯০ দিনের মধ্যে ভোট: ইসি

রাজধানী

এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট / এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট সামাল দিতে গত জুন মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে রেকর্ড ৪ লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক মাসের হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তার এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ।বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মানি মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ও স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) মাধ্যমে এ অর্থ দেওয়া হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। একই সময়ে স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় দেওয়া হয় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা, যা মে মাসে ছিল ৪৮ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। আর স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় জুনে দেওয়া হয় ৮০ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা, মে মাসে যা ছিল ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। জুনে ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা এবং গ্রাহকদের ব্যাপক আমানত উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এতে ব্যাংকটির তারল্য সংকট সামাল দিতে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ব্যাংকগুলো সাধারণত রেপোর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। আর তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর বেশি নির্ভরশীল।এদিকে জুনে আন্তঃব্যাংক কলমানি বাজারে লেনদেনও বেড়েছে। ওই মাসে এ বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। মে মাসে এ পরিমাণ ছিল ৯১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দেওয়া একটি নিয়মিত কার্যক্রম। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদি হওয়ায় মাসজুড়ে দেওয়া অর্থের বড় অংশই নির্ধারিত সময়ে ফেরত আসে। তবে জুনে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে।  

রাজনীতি

জাতীয়

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুতে গতি, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক / বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুতে গতি, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ

সরকারি মালিকানাধীন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন পুনরায় শুরু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এ ছাড়া শিল্প খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক / বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুতে গতি, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ

বাস্তব প্রশিক্ষণ শেষে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে তাঁদের / ৯৩ শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

জুলাই বিপ্লবের সময় গণহত্যা ও দমন-পীড়নে ‘নীরব ভূমিকার’ অভিযোগ / সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিএপির অভিযোগ

দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে / রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া, জামায়াতের স্বাগত, এনসিপির গ্রেপ্তারের দাবি

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ, রাজনৈতিক চাপের প্রসঙ্গ নেই / পদত্যাগপত্রে অসুস্থতার বিস্তারিত জানালেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জাতীয়

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

জাতীয়

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

জাতীয়

জাতীয়

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়